পর্যটন কর্মী ফয়সাল রাজু ও নদী পর্যটনের সম্ভবনা নিয়ে কিছু কথা

পর্যটন কর্মী ফয়সাল রাজু ও নদী পর্যটনের সম্ভবনা নিয়ে কিছু কথা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত ৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার শীতলক্ষ্যার বুকে অনুষ্ঠিত হলো তারুণ্যের গনজাগরণ।শীতলক্ষ্যা নদীর মনোমুগ্ধকর পরিবেশে একদল তরুণের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হলো ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬।শীতলক্ষ্যা নদীর বুকে হৈ হু রো রে খবর পেয়ে আমাদের প্রতিবেদক খবর সংগ্রহ করতে এসে পেয়ে যান নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান ফয়সাল আলম চৌধুরী রাজুর সাক্ষাৎ।
ফয়সাল আলম চৌধুরী রাজু নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকটি দাতব্য ও সামাজিক সংগঠন এর কার্যক্রমের সাথে জড়িত।তিনি ২০০১ থেকে ২০১০ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং এর দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।২০১৮ সাল থেকে পনচায়েত পরিষদের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি বংশাল সোসাইটির জয়েন্ট সেক্রেটারি ও লেক রক্ষা কমিটির সদস্য। তাছাড়া নারায়ণগঞ্জ ডায়বেটিস সমিতির তিনি জীবন সদস্য।এছাড়াও কোহিনূর হামিদ মানবতার বাতিঘর নামে একটি দাতব্য সংগঠনের মাধ্যম তিনি দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
শৈশবে বারো আউলিয়ার পূর্ণ ভূমি চট্টগ্রামে নানী ও নারায়ণগঞ্জে দাদীর সংস্পর্শে আধ্যাত্মিক সাধক ও মহান অলী ওয়ালিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও সান্নিধ্য লাভ করার সৌভাগ্য হয়।ফয়সাল রাজু ব্যক্তি জীবনে দ্বীনি মোহাম্মাদি (সঃ) প্রচার এর মহান প্রতিষ্ঠাতা ছাইয়্যাদেনা হযরত মহিদীন মেছের আলী (রঃ),সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ভক্ত,মহান আধ্যাত্মিক সাধক গুরু সম্রাট বাবা শামসুল হুদার নির্দেশিত কালাম প্রচারক বাবা গোলাম মর্তুজা থেকে কালাম প্রাপ্ত।
তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার আগেই ১৯৯৯ সালে পোশাক শিল্প খাতে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ২০১০ সালে তিনি পোশাক শিল্পের খাতের কর্মজীবন শেষ করেন।কারন নদী খাল, গাছ গাছালি, আকাশ বাতাস তাকে টানে।ঘুরে বেড়ানো তার শখ।আর ভ্রমণে সূচনা শুরু হয়েছে তাঁর মায়ের হাত ধরে নানা বাড়ি চট্টগ্রাম হওয়ার সুবাদে।তাঁর নানু বেগম রফিকুন্নেচ্ছা তাদের স্কুল ছুটির এক মাস নাতি নাতনিদের নিয়ে চট্টগ্রামের দর্শনীয় স্থান গুলো ঘুরে বেড়াতেন।তার নানা মরহুম হাজী নজির আহমেদ সওদাগর খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী সমিতি’র সভাপতি ছিলেন।তার মামা তৈয়বুর রহমান সহ অন্য মামারাও খাতুনগঞ্জে তাদের পিতার দেখানো পথেই হাটছেন।
দাদি বেগম মেহেরুন্নেচ্ছার নয়নমনি ফয়সাল ঘুরে বেড়াতেন দাদীর হাত ধরেও।দাদা চৌধুরী এম এ হামিদ ও পিতা শাহ আলম চৌধুরী ছিলেন রং ও সুতার ব্যবসায়ী।চাচা ডা আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ চৌধুরী স্বনামধন্য বিশিষ্ট চিকিৎসক,সমাজসেবক ও সংগঠক এবং সাবেক নির্বাচীত সভাপতি বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলা।চৌধুরী এম এ হামিদ এর পিতা ও মরহুম মেছের হাজীর সন্তান মরহুম সাইজুদ্দিন চৌধুরী ১৯৩৫ শেষে বা আগে পরে ফরিদপুরে কৃষি কাজের পাশাপাশি ব্যবসা বানিজ্যের লক্ষ্যে প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জ আসেন।চৌধুরী এম এ হামিদ তৎকালীন সময়ের ফরিদপুরের ভাংগার কাউলিবেড়া ইউনিয়নে সুশিক্ষায় শিক্ষিতদের মধ্যে একজন।চৌধুরী এম এ হামিদ এর পরিবারের নারায়ণগঞ্জে ব্যবসা বানিজ্য প্রতিষ্ঠা, প্রসার ও নারায়ণগঞ্জ স্হায়ীভাবে বসবাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন বেগম মেহেরুন্নেচ্ছার চার ভাই মরহুম আবদুল গাফ্ফার, মরহুম আবদু করিম, মরহুম আবদুল বারেক ও মরহুম আবদুল বেলাল।বেগম মেহেরুন্নেচ্ছার পরিবারের প্রতি এখনও তাঁর চার ভাই এর সন্তানরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন বলে জানান ফয়সাল ফয়সাল রাজু জানান তাঁর মামাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহমুদ হোসেন, বিকেএমইএর পরিচালক মামুনুর রশীদ মামুন, বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ট এসোশিয়েশন এর পরিচালক আবদুল্লাহ আল হোসেন বাপ্পি ও আহসান আল হোসেন ববি এবং চাচা আবুল বাশার সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোশিয়েশন ও আরিফ হোসেন বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়িক পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেন।তাছাড়াও শ্রদ্ধেয় বড় ভাই সেলিম সারোয়ার প্রেসিডেন্ট এবং রাকিবুল হাসান রাকিব,পরিচালক বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স এসোশিয়েশন সবসময় পাশে থাকেন।

ফয়সাল রাজু বলেন একপ্রকার শখের বশেই তিনি ট্যূরিজম পেশায় নিজেকে ২০১১ সালে যুক্ত করেন।তিনি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েডিং প্লানারস এন্ড ট্রাভেলস এজেন্ট এসোশিয়েশন এর হেড কোয়াটার ইটালির, চ্যাপ্টার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ হিসেবে ২০২১ সালে সম্মানিত হয়ে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন এবং আগামিতে বোর্ড সদস্য হওয়ার ব্যাপক সম্ভবনা আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আছেন।
তিনি ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ ট্যূরিষ্ট গাইড এসোশিয়েশনস এর এরিয়া রিপেজেন্টেটিভ এশিয়া সাউথ হিসেরে ২০২৩ সাল থেকে দায়িত্বরত।ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন অফ ট্যূরিষ্ট গাইড এসোশিয়েশনস জাতিসংঘের ইউএন ট্যূরিজম এর স্বীকৃতি প্রাপ্ত একটি সংগঠন। যার হেড কোয়াটার ভিয়েনা অস্ট্রিয়ায়।
কথায় কথায় উঠে আসে তিনি মিনিংফুল ট্যূরিজম এর,অফিসিয়াল ট্রেইনার হিসেবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে যুক্ত হয়েছেন এবং হেড কোয়াটার ইউকেতে অবস্হিত।

তিনি তার চিন্তা চেতনার মাঝে খুঁজে ফিরেন নারায়ণগঞ্জকে শিল্প নগরীর পাশাপাশি পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের রাস্তা তৈরি করা।তিনি তার চিন্তা চেতনার মাঝে খুঁজতে থাকেন সম্ভবনা।মাঝে তিনি তাঁর কন্ঠে তুলে এনেছেন হাজীগঞ্জ দূর্গ ও সোনাকান্দা দূর্গ সহ সকল প্রত্নতত্ত্ব সম্পদ রক্ষার আবেদন।
সমাজের নেতৃস্হানীয়দের সাথে আলোচনা চালিয়েছেন, জানানোর চেষ্টা করেছেন এই অমূল্য সম্পদ ও সংস্কৃতি রক্ষা কথা।শুধু তাইই নয় অবহেলিত বিবি মরিয়ম এর স্মৃতি রক্ষার আহবানও জানিয়ে ছিলেন তিনি।নারায়ণগঞ্জের শিল্প নগরী হওয়ার পরের বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন আধুনিক সুযোগ সুবিধা সহ একটি হোটেল মোটেল স্হাপন করেন নাই।অথচ ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন স্হান থেকে প্রতিদিনই ব্যবসায়ী পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয় নারায়ণগঞ্জ শহর।
তিনি বলেন এবার পর্যটন করপোরেশনের কাছে নারায়ণগঞ্জ ইনশাআল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
ট্র্যাডিশনাল নৌভ্রমণে অভ্যস্ত এই মানুষটি ভালোবাসেন নৌকা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে এবং চেষ্টাও করেন পর্যটকদের কাছে এই ট্র্যাডিশন তুলে ধরতে।
মানুষটির সাথে দেখা হয়ে যাওয়ায় জানতে পারলাম তারুণ্যের জাগরণ সম্পর্কে।
ট্যূর অপারেটর এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব ) এর নির্বাচন উপলক্ষে দেশের প্রায় দেড় শতাধিকেরও বেশি স্বনামধন্য ট্যূর অপারেটরদের পদচারণায় মুখরিত হয়েছিল শীতলক্ষ্যার তীর।বিষয়টি সত্যি একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে।
ফয়সাল রাজু জানালেন টোয়াব নির্বাচন ২০২৬ – ২০২৮ উপলক্ষে টোয়াবের সকল সদস্যদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছিল।তাই সারা বাংলাদেশের স্বনামধন্য ট্যূর অপারেটর যারা টোয়াবের সদস্য তারাই এই আয়োজন উপস্থিত হয়েছিলেন।তাছাড়া বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে পরিচিত করতে হলে অনেক কাজ করার প্রয়োজন।
সামনে ১৬ই জুন ২০২৬ইং আমাদের টোয়াবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন তাই তরুন নির্ভর টোয়াব গড়তে তারুণ্যের পদচারণায় মুখরিত হয়েছিল শীতলক্ষ্যা নদীর তীর।ঈদ পুণর্মিলনী ২০২৬ শীতলক্ষ্যায় নদীতে রিভারক্রুজ আয়োজন করে। টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান নেতা ড. তাসলিম আমীন শোভন এর নেতৃত্বে এই ঈদ পুনর্মিলনী ২০২৬ অনুষ্ঠানে সকল অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট এর প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত এই আয়োজন টোয়াব সদস্যদের ব্যাপক অংশগ্রহণ মিলনমেলায় পরিণত হয়।একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ এর সুযোগ পেয়ে গল্প ও আড্ডায় মেতে উঠেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সদস্যরা টোয়াবের অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান নেতা ড. তাসলিম আমীন শোভনকে সাধুবাদ জানান।
ফয়সাল রাজু বলেন টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান নেতা ড. তাসলিম আমীন শোভন এর আহবানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও ব্যাপক সাড়া তাদের আস্থা এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ বলেই জোটের সদস্যরা মনে করেন বলে জানান ফয়সাল রাজু।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত টোয়াব সদস্যরা বারবার উচ্চারণ করেছেন চাই , পরিবর্তন প্রয়োজন।এভাবে আমি – তুমির ২০৩২ সাল পর্যন্ত কন্টাক্ট নির্বাচন আর চলতে পারে না।অনেক বড় বড় পর্যটন ব্যক্তিত্ব তাদের বক্তব্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন যে ,ট্যূর অপারেটরদের এই সংগঠনটি তাদের লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে দূরে সরে এসেছে।আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মেধাভিত্তিক টোয়াব গঠনের পক্ষে তাদের দৃঢ় অবস্থান তারা ব্যক্ত করেন।পরিবার কেন্দ্রিক একক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করার তাগিদ সকল টোয়াব সদস্য অনুভব করেছেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল আসন্ন টোয়াব নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি পর্ব।
এ সময় প্রার্থীরা তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা, ব্যবসায়িক পথচলা এবং দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় তুলে ধরেন।পাশাপাশি নির্বাচিত হলে সদস্যদের কল্যাণ, সংগঠনের উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের অগ্রগতির লক্ষ্যে তাঁদের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি উপস্থাপন করেন।
প্রার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, সুসংগঠিত ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা উপস্থিত টোয়াব সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে বলেও জানিয়েছেন ফয়সাল রাজু।
তিনি আরও জানান,অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী টোয়াব সদস্যরা একবাক্যে মত প্রকাশ করেন যে, তারুণ্যনির্ভর নেতৃত্বই টোয়াবকে নতুন গতিশীলতা প্রদান করতে সক্ষম হবে।
তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তারুণ্যের নেতৃত্ব দেশের পর্যটন শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতায় আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তরুনরাই পারবে টোয়াবকে সদস্যদের প্রত্যাশার সংগঠনে রূপান্তরিত করতে।
ফয়সাল রাজু বলেন, শীতলক্ষ্যা তীরের শতাধিকের বেশি টোয়াবের তরুণ সদস্যদের উপস্থিতিকে তিনি সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন।ফয়সাল রাজু বলেন নারায়ণগঞ্জকে নৌ – পর্যটনের কেন্দ্রে নিয়ে আসার দ্বার প্রান্তে আমরা আছি।এটি একটি মহেন্দ্রক্ষন। আজকের এই উপস্থিতি সেই সম্ভাবনাকেই নারায়ণগঞ্জবাসীর জন্য জানান দিয়ে গেলো।তাদের এই উপস্থিতির কারনে হয়তো আগামি দিনে বিনিয়োগকারীরা তাদের বিনিয়োগ সম্ভাবনা খোঁজা শুরু করবে।আমাদের এখন প্রয়োজন প্রতিদিন শীতলক্ষ্যা বাচাতে ও নিরাপদ রাখতে ভয়েজ রেইজ করা এবং সুন্দর সুন্দর কনটেন্ট তৈরি করে তা ডিজিটাল সোস্যাল মিডিয়ায় প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া।
তিনি আরও বলেন এতো বড় একটা মিলন মেলা একযুগে একবারই হয়।আমাদের নারায়নগঞ্জের অভিভাবকদের উচিত সম্ভাবনাময় এই খাত নিয়ে চিন্তা – ভাবনা শুরু করে দেওয়া।বিলিয়ন ডলারের চায়না ও জাপানি বিনিয়োগ চেষ্টা করলে নিয়ে আসা সম্ভব।
তাছাড়া আমাদের দেশের বিনিয়োগকারীরাও পারেন বিনিয়োগ করতে।থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর, দুবাই ও মিশরের নীলনদ কেন্দ্রিক নদী পর্যটন পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকলে বাংলাদেশ কেন থাকতে পারবে না?
ফয়সাল রাজু বলেন, আমি বিশ্বাস করি আগামী দিন বিশ্ব নৌ – পর্যটনে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিবে ইনশাআল্লাহ।আন্তর্জাতিক পর্যটকরা আগামিতে বাংলাদেশে আসবেন এই নদী পর্যটন উপভোগ করতে।
ফয়সাল আলম চৌধুরী বলেন আমি আমাদের অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান নেতা ড. তাসলিম আমীন শোভনকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তিনি এই মিলন মেলার জন্য আমাদের মতামত সম্মান দেখিয়ে এই স্হানটি নির্ধারণ করেছেন।
ফয়সাল রাজু আরও যুক্ত করে বলেন ফরিদপুর এর ভাংগার কাউলিবেড়া ইউনিয়ন এর খাটরা গ্রাম কমিউনিটি ট্যূরিজম এর জন্য আদর্শ একটি গ্রাম হতে পারে।সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে এই গ্রামটি এখনও চাইলেই পর্যটন শিল্পের উপযোগী করে তৈরি করা যায়।তিন ফসলি উপযোগী এই গ্রামে বিশেষ করে পাটের মৌসুম আকর্ষণীয় হতে পারে।
আমাদের আলোচনার শেষ পর্যায়ে ফয়সাল আলম চৌধুরী জানান টোয়াবের ২০২৬ -২০২৮ নির্বাচনে
টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট এর জোট প্রার্থী হয়ে পরিচালক প্রোপার্টি এন্ড এ্যাসেস্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তিনি বলেন,আমাদের ঐক্য,পরিবর্তনের অঙ্গীকারে, ঐক্যের শক্তিতে, তারুণ্যের নেতৃত্বে—গড়ে উঠুক আমাদের প্রাণের টোয়াব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত, © নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন.কম।
Design BY SOFT-MACK