শিরোনামঃ
পাসপোর্ট অফিসে দালালচক্রের তৎপরতা: দুই  সাংবাদিক পরিচয়দাতার মুচলেকা রূপগঞ্জে ক্রেনের তার ছিঁড়ে দুই শ্রমিক নিহত বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলায় আইভীর জামিন না মঞ্জুর বন্দরে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলা : বিধবা নারী ও ভাইদের পিটিয়ে নগদ ৩ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটপাট ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত : নিশ্চিত করেছে ইরানি গণমাধ্যম ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে নার্স নিহত সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ শোন অ্যারেস্ট আইভী : বাইরের আলো দেখা হলো না তার পাসপোর্ট অফিসে অভিযান : বিশেষ পেশার একজনকে কারাদন্ড নারায়ণগঞ্জ সহ ছয় সিটি কর্পোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ
জলবায়ুর প্রভাবে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু-বাহারি মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে

জলবায়ুর প্রভাবে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু-বাহারি মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের খালবিলে দেশীয় মাছ রয়না বিলুপ্তির পথে। এমন একটা সময় আসবে যখন ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ এটা কথাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, বাস্তবে মিলবে না। গোলাভরা ধান আর পুকুরভরা মাছ- এসব এখন অতীত। বিভিন্ন ডায়িং, কলকারখানার বর্জ্য ও বিষাক্ত কেমিক্যাল নদী, খাল, বিল ও পুকুরের পানিতে এসে মিশে দেশীয় প্রজাতির শিং, কৈ, টেংরা, পুঁটি, মলা, মাগুর মাছসহ ইত্যাদি প্রজাতিকে বিলুপ্তির পথে নিয়ে গেছে।
পুকুরে এখন রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, সরপুঁটি, মাগুর, শিং, কৈ, পাবদা ইত্যাদি মাছ চাষ করা হয়। এতে করে দেশের মানুষের মাছের চাহিদা হয়তোবা পূরণ হচ্ছে কিন্তু দেশীয় মাছের যে স্বাদ বা পুষ্টি, তা আমরা পাচ্ছি না। আগে দেশীয় একটি কৈ বা শিং মাছ খেয়ে যে তৃপ্তি পাওয়া যেত, তা এখন চাষ করা মাছে পাওয়া যায় না। বাণিজ্যিক আকারে মাছ চাষের কারণে বিভিন্ন খাবার বা ওষুধ মাছে প্রয়োগ করা হয়। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের স্বাদ থাকে না।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলার দুমকি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, আমরা বিভিন্ন যুগোপযোগী পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় মিঠা পানির মাছের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করব। দেশীয় মাছ আমাদের দেশের সম্পদ, তা রক্ষা করতে যাবতীয় ব্যবস্থা আমাদের পক্ষ থেকে নেয়া হবে, সেই সঙ্গে দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় সচেতন মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মিঠা পানির ২৬০ প্রজাতির মধ্যে ১৪৩টি ছোট মাছ। এর মধ্যে ৬৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তপ্রায়। ফলে এক দশক আগেও বাজারে ছোট মাছের প্রাপ্যতায় ছিল নানা সংকট। ছোট মাছ পাওয়া গেলেও দাম ছিল ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।
বিশেষ করে দেশীয় কৈ, শিং, মাগুর, পাবদা কেনার সামর্থ্য ছিল না অনেকের। আবহমান গ্রামবাংলার নদ-নদী, হাওর-বাঁওড় ও খালবিল শুকিয়ে যাওয়াসহ জলবায়ুর প্রভাবে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু, বাহারি এসব মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে।।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত, © নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন.কম।
Design BY SOFT-MACK