Tuesday, October 7th, 2025




বন্দরে আলমগীর হত্যাকাণ্ডে দুই আসামি গ্রেপ্তার হলেও অধরা রোমান সহ ১৭

বন্দর প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিচার সালিশে হাতুড়িপেটায় আলমগীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জুয়েল ও রাতুল গ্রেপ্তার হলেও এখনো এজাহারনামীয় ১৭ আসামি অধরা। এসব আসামির হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকলেও এখনো তাদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না পুলিশ।

‎ঘটনার পর থেকেই এসব আসামি দেশের বিভিন্ন স্থানে গা-ঢাকা দিয়ে আছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকা হত্যার মূলপরিকল্পনাকারী জুয়েল ও রাতুলকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।  তবে অধরা রয়েছে খান মাসুদের অন্যতম সহযোগী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি রোমান।

‎অভিযোগ রয়েছে, আলমগীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার আসামি সোয়েব, নাদিমের বিরুদ্ধে আরো একটি আলোচিত মেরাজুল ইসলাম হত্যা মামলা রয়েছে।

‎এরই মধ্যে আলমগীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সোয়েব, আশরাফুল প্রকাশ কালু, পারভেজ, নাদিম, জুয়েল, রাতুল, আনজু, রিপন, নুর আলম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, সুমন, রুবেল, রাসেল, ফরহাদ, ইফরাত ও খান মাসুদের অন্যতম সহযোগী যুবলীগ নেতা রোমান সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকলেও জুয়েল ও রাতুলকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

‎এদিকে আলমগীর হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা রোমানের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলা সহ জমি দখল সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
‎এছাড়াও ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ভোল্ট পাল্টে দাদা সেলিমের হাত ধরে জাকির খানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে যোগদান করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছিল এবং এলাকায় তার অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ট হয়ে পড়েছিল। আলমগীর হত্যার ঘটনায় সরাসরি যুবলীগ নেতা রোমান জড়িত থাকায় গা-ঢাকা দিয়েছেন।

‎উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর বারইপাড়া সালিসি বৈঠক চলাকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আলমগীর হোসেনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন।

‎নিহত আলমগীর হোসেন বন্দর শাহীমসজিদ এলাকার মৃত সোহবান মিয়ার ছেলে এবং মালেক সিকদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো খবর...