শিরোনামঃ
শীতালক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে সিটি পার্ক লেকের পানিতে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ফতুল্লায় সেফটি ট্যাংকির বিষাক্ত গ্যাসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির’ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জ বাসির সুখে দুঃখে পাশে ফজলুল হক জুয়েল ফতুল্লায় পিতা কে হত্যার চেষ্টা ঘটনায় সমঝোতা না করায় ওসি তদন্তের নির্দেশে পাল্টাপাল্টি মামলা : আহত শের আলী বাসায় ঢুকে লুটপাট নারায়ণগঞ্জে দুই ওসি প্রত্যাহার : রূপগঞ্জে নতুন ওসির যোগদান আবারো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নাজিম উদ্দিন রূপগঞ্জে ইউপি সদস্য – স্ত্রী-সন্তানের উপর সন্ত্রাসী হামলা সিদ্ধিরগঞ্জে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে ছাত্রদল নেতা হীরা বেপরোয়া, আতঙ্কে এলাকাবাসী
টাকা ফেরত দিলেন এএসআই

টাকা ফেরত দিলেন এএসআই

 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় এমরান আলী ওরফে লেবু নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া ১০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুমন মিয়া। গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানোর পর গতকাল সোমবার রাতে জুড়ী থানায় ডেকে এনে এমরানকে টাকা ফেরত দেন তিনি।আজ মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হামিদুর রহমান সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘এএসআই সুমন সব টাকা এমরানকে ফেরত দিয়েছেন। ভবিষ্যতে আর এ ধরনের কাজ না করতে তাঁকে (সুমন) সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।’

এমরান বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের কাছ থেকে ঘটনাটি জেনে সোমবার রাত নয়টার দিকে জুড়ী থানার ওসি হামিদুর রহমান সিদ্দিকী তাঁকে থানায় ডেকে নেন। একপর্যায়ে এএসআই সুমন তাঁর হাতে ১০ হাজার টাকা ফেরত দেন। এ সময় ওসি এএসআই সুমনকে ভর্ৎসনাও করেন। এমরানের বাড়ি উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের উত্তর বড়ডহর গ্রামে। তিনি ওই ইউনিয়নের আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর লিডার। এমরান আলী বলেন, গত রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জুড়ী থানার এএসআই সুমন মিয়ার নেতৃত্বে তিন-চার জন পুলিশ তাঁর বাড়িতে যান। পুলিশের পরিচয় দেওয়ার পর তিনি দরজা খুলে দেন। এ সময় এএসআই সুমন তাঁর (এমরান) নাম লেবু কি না জিজ্ঞেস করেন। এমরান বলেন, তাঁর মূল নাম এমরান হলেও ছোটবেলা পরিবারের লোকজন তাঁকে লেবু নামে ডাকতেন। এ কথা বলার পর এএসআই সুমন এমরানকে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে বন বিভাগের করা একটি মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। এ কথা শুনে তিনি অবাক হয়ে যান। এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে তিনি এএসআই সুমনকে আসামির বাবার নাম জানতে চান। তখন সুমন কোনো কথা না শুনে তাঁকে ধমক দিয়ে চুপ থাকতে বলেন। একপর্যায়ে সুমন তাঁকে বলেন, ১০ হাজার টাকা দিলে গ্রেপ্তার করা হবে না। গ্রেপ্তার এড়াতে এমরান প্রতিবেশী দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ধার করে সুমনের দাবি মেটান। টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার সময় সুমন এমরানকে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেওয়ার পরামর্শ দেন। এমরান বলেন, গতকাল সোমবার সকালে তিনি মৌলভীবাজারে সংশ্লিষ্ট আদালতে যান। সেখানে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, এএসআই সুমন যে মামলার কথা বলেছেন, সে মামলার আসামি তিনি নন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়নি। বরং ওই মামলার আসামি হলেন, সাগরনাল ইউনিয়নের উত্তর বড়ডহর গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে লেবু মিয়া। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত, © নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন.কম।
Design BY SOFT-MACK