বিশেষ প্রতিনিধি:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসান রাজ। তাঁর এই পোস্টে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর আচরণ ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করা হয়।একই সাথে টিপুর মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে দলের বৃহত্তর স্বার্থে তাঁকে দ্রুত দেশে বা বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
পোস্টের বিষয়বস্তু ও অভিযোগগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
রাকিব হাসান রাজ অভিযোগ করেন, টিপুর বর্তমান মানসিক অবস্থা ও আচার-আচরণ অস্বাভাবিক রূপ নিয়েছে। মিছিলে কর্মীদের ওপর ছাতা নিয়ে চড়াও হওয়া এবং মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সাথে বারবার অনুচিত আচরণ করা টিপুর এই মানসিক অসঙ্গতিরই বহিঃপ্রকাশ। দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্য বজায় রাখতে তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা জরুরি।
দলীয় কোন্দল ও ‘ভাইরাস’ আখ্যা: সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও তাঁর ছেলে আবুল কাউসার আশাকে নিয়ে টিপুর করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন রাজ। তিনি অভিযোগ করেন, টিপু দিন দিন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির জন্য একটি “ভাইরাস”-এ পরিণত হচ্ছেন। তাঁর একঘেয়েমি ও একক আচরণের কারণেই অতীতে মহানগর বিএনপির ৩১ জনের কমিটি থেকে অর্ধেকের বেশি সদস্য পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
জাকির খানের জনপ্রিয়তা ও হিংসাত্মক বক্তব্য: রাজ তাঁর পোস্টে বিএনপি নেতা জাকির খানের কেন্দ্রীয় গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাকির খানের পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস ও আব্দুস সালামের মতো শীর্ষ নেতারা তার জন্য মুক্তি চেয়ে বক্তব্য রাখেন। অথচ জাকির খানের এই বিশাল জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়েই টিপু ধারাবাহিকভাবে বিষোদ্গার ও হিংসাত্মক বক্তব্য দিচ্ছেন।
সংবাদের শেষ অংশে জাতীয় পার্টির প্রয়াত নেতা এইচ এম এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদের সাথে ইউসুফ খান টিপুর অতীত গোপন বৈঠক ও যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন রাজ। বিএনপির দায়িত্বে থেকে বিদিশার সাথে টিপুর কী স্বার্থে যোগাযোগ ছিল—সে বিষয়ে তাঁর কাছে সুস্পষ্ট জবাবদিহিতা দাবি করা হয়।
Leave a Reply