নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমা দেওয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে তিনি পেয়েছেন বৈধ ভোটের ৬ দশমিক ১২ শতাংশ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ–সোনারগাঁ) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯৩ হাজার ৩৪৬ জন। এর মধ্যে ৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ বা ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬ জন ভোট দেন। বৈধ ভোট ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৫২টি এবং বাতিল ভোট ৭ হাজার ৭৬৪টি। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট, যা বৈধ ভোটের ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। যদিও সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলকে তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো, ভোটের মাঠে সেই প্রভাব দেখা যায়নি।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮১৩ জন। ভোট দিয়েছেন ৪৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ বা ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮ জন। বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯টি এবং বাতিল ভোট ৬ হাজার ৩৫৯টি। এ আসনে তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৭৯ ভোট, যা বৈধ ভোটের মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ।


Leave a Reply