নারায়ণগঞ্জ প্রতিদিন :
নারায়ণগঞ্জের বন্দর ইসলামী যুব আন্দোলন নেতা জাহিদ আল আমিন বুলবুল (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন শেখ সিফাত (৩২), জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন, মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ (৩২), রিয়াদ (৩৩), মো. সিয়াম (২৫), মিনারা (৩৫), নাসিমা (৩৬), রুমা (৩৬), ইফরান (২৯), ইয়াসমিন (৪০) ও সিজান ওরফে জিসান (২৬)। তাদের সবার বাড়ি বন্দর থানার বিভিন্ন এলাকায়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, নিহত বুলবুল পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করেছিলেন। এ কারণে শেখ সিফাতসহ কয়েকজন তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। একই সাথে ভিকটিমের গ্যারেজে ডাকাতির ঘটনায় মামলা করেছিলেন তিনি। সেই মামলায় আসামি ছিলেন শেখ সিফাত সহ তার সঙ্গীরা। পূর্ব শত্রুতা যে এই বুলবুলকে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি। এ ঘটনায় ছয় ঘণ্টার মধ্যেই মূল আসামি সহ সর্বমোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান পুলিশ সুপার।
Leave a Reply